রহস্যময় প্যাটমস্কি জ্বালামুখ সম্পর্কে জেনে নিন

রহস্যময় প্যাটমস্কি জ্বালামুখ সম্পর্কে জেনে নিন

পৃথিবীতে এমন অনেক স্থান রয়েছে যার রহস্যের শেষ নেই। কিছু কিছু স্থানে যেতে মানুষ ভয় পায়, আবার কিছু কিছু স্থান আনন্দের মাঝেও বেদনার অনুভব জাগায়। কিছু জায়গা আছে যেখানে আপনি দীর্ঘশ্বাস না নিয়ে পারবেন না। এরকমই একটি স্থান প্যাটমস্কি জ্বালামুখ। ১৯৪৯ সালে ভূবিজ্ঞানী ভাদিম কলপাকভ সাইবেরিয়া অঞ্চলে এক অভিযানে বের হন।

এ অভিযানে তিনি সাইবেরিয়া অরণ্যে রহস্যময় প্যাটমস্কি জ্বালামুখের সন্ধান পান। কলপাকভ যখন এই জ্বালামুখ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ঠিক এ সময় সেখানকার ইয়াকুট অধিবাসীরা তাকে যেতে বারন করলেন। তাদের ভাষ্যমতে, এ জায়গাটি অনেক ভূতুড়ে এখানে মানুষতো দুরের কথা কোন পশু-পক্ষীর আনাগোনাও সেখানে নেই।

তারা এর নাম দিয়েছে “Fire Eagle Nest”। এর আশেপাশে গেলেই মানুষ অসুস্থ বোধ করাসহ নিমিষেই অদৃশ্য হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।একজন বিজ্ঞান মনস্ক মানুষ হিসেবে কলপাকভ তা কর্ণপাত করলেন না, বরং আরো কৌতূহলী হয়ে গেলেন। তিনি দেখলেন যে এটি ২৫ তলা ভবনের উচ্চতার সমান এক বিশাল জ্বালামুখ সমেত বস্তু যা বনে গাছের মধ্যেই গর্জে উঠেছে।

কল্পাকভের ধারনা মতে এর বয়স ২৫০ বছর। পরবর্তীতে এ নিয়ে অনেক গবেষনা হয়েছে, অনেকেই একে অগ্নেয়গিরি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। আবার অনেকের ভাষ্যমতে উল্কাপিণ্ডের মাধ্যমে এটি গঠিত হয়েছে।২০০৫ সালে প্যাটমস্কি সম্পর্কে নতুন তথ্য উদ্ঘাটনের আশায় এক গবেষকদল অভিযানে নামে। কিন্তু ঘটনা সেখানেই থেমে যায়। অভিযাত্রিক দলের প্রধান নেতা প্যাটমস্কি জ্বালামুখের কাছে না যেতেই হার্ট এটাকে তিনি থেমে যান।