চুলের যত্নে আমলকি ব্যবহার এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

চুলের যত্নে আমলকি ব্যবহার এর কার্যকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

আমলকি নিয়ে নানা গবেষণা থেকে জানা যায়, এই ফলটিতে থাকা বিশেষ কিছু অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্যান্সারের মতো মরনব্যাধিকে দূরে রাখার পাশাপাশি চুলের জেল্লা ফিরিয়ে আনে, চুল পাকা, চুল ঝরে যাওয়া, খুশকি, অ্যালোপেশিয়া অ্যারিয়েটাসহ নানা সমস্যা দূর করতে এটি সিদ্ধহস্ত।আমলকিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইটো কেমিক্যালস। এগুলো চুলের নানা সমস্যা দূর তো করেই, ত্বকও ভাল রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক এই আমলকি ব্যবহার এর উপকারিতা সম্পর্কে।

১.চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে- চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে আমলকির ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস এবং ভিটামিন সি। এরা মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুল লম্বা হতে এবং ঘন হতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। কেননা আমলকির ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস চুলের কোলাজেন নামে এক বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে। তাই চুল ভাল রাখতে আমলকি ব্যবহার করতে হবে নিয়মিত।

২.চুল ফুরফুরে রাখতে- আমলকি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। চুলের ধরন শুষ্ক হোক বা তেলতেলে হোক- আমলকি শুকিয়ে গুঁড়া করে জল দিয়ে পেস্ট করে মাথায় লাগিয়ে রাখতে হবে ঘণ্টাখানেক। শ্যাম্পু করে নিলেই সুন্দর ফুরফুরে চুল পাবেন।

৩.খুশকির সমস্যা দূর করতে- অনেকেই খুশকির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা দূর করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে আমলকি। আমলকির ভিটামিন সি ইনফ্যামেশন ও সংক্রমণ প্রতিরোধ করার পাশাপাশি শুষ্ক স্ক্যাল্পকে ময়েশ্চারাইজ করে খুশকির সমস্যা সারিয়ে তোলে।

৪.চুলকে দূষণ মুক্ত করতে- ধোঁয়া, ধূলাবালি, দূষণের পাশাপাশি চুলের স্টাইল করতে গিয়ে জেল লাগানো, স্ট্রেটনিং, ড্রাইং ইত্যাদির কারণেও চুলের অনেক ক্ষতি হয়। তা দূর করে আমলকির অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। সপ্তাহে অন্তত দুদিন কাঁচা আমলকির রস করে তা চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর স্নানের সময় ধুয়ে ফেলতে হবে।

৫.চুল পেকে যাওয়ার থেকে- বিভিন্ন কারণে অকালে চুল পেকে যায়। রাসায়ানিক রং দিয়ে চুল না ঢেকে আমলকির তেল মাথায় মাখতে হবে। চুল পাকার সমস্যা কমবে অনেকটাই।

৬.চুলের কন্ডিশনার হিসেবে- চুলের কন্ডিশনার হিসেবে আমলকি ব্যবহার করা যেতে পারে।আমলকি খেলেও চুল  ভাল থাকে। অন্য সময়ের জন্য টাটকা আমলকি শুকিয়ে গুঁড়া করে রেখে জলেতে ভিজিয়ে পরের দিন সকালে খেলে উপকার পাওয়া যায়।