শরীরে সোডিয়াম প্রতিরোধ করতে যা যা করবেন জেনে নিন

শরীরে সোডিয়াম প্রতিরোধ করতে যা যা করবেন জেনে নিন

শরীরের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান লবণ। আমাদের রক্তে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি খনিজ লবণ নিখুঁত ভারসাম্য বজায় রেখে চলে। এসব লবণের মধ্যে সোডিয়াম আমাদের স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য সবচেয়ে জরুরি।কোনো কারণে সোডিয়াম কমে যাওয়া একটি জরুরি মেডিকেল পরিস্থিতি। তাই সোডিয়াম কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে অতিসত্বর নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়া আবশ্যক। আর সোডিয়াম যাতে না কমে, তেমন ব্যবস্থাও গ্রহণ করা উচিত। কারও বারবার সোডিয়াম কমার ঘটনা ঘটলে কারণ অনুসন্ধান করাও জরুরি। তাহলে জেনে নেওয়া যাক শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি হলে কি করবেন।

১.ওরস্যালাইন মিশ্রিত জল খেতে হবে- অত্যধিক উষ্ণ তাপমাত্রার স্থানে গেলে বা রোদে কাজ করলে, খুব ঘাম হলে ওরস্যালাইন মেশানো জল খেতে হবে। এতে শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়।

২.জ্বর বা অসুস্থ হলে- জ্বর হলে বা অসুস্থতার জন্য কিছু না খেতে পারলে অন্তত ওরস্যালাইন মেশানো জল পান করতে হবে।

৩.বমি বা পায়খানা হলে- বমি, পাতলা পায়খানা হলে অবশ্যই প্রতিবার ওরস্যালাইন খেতে হবে। বমির জন্য স্যালাইন রাখতে না পারলে ভর্তি হয়ে শিরায় স্যালাইন নিতে হবে।

৪.দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হলে- দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগলে চিকিৎসকের কাছে জেনে নিতে হবে দৈনিক কতটা জল ও নুন গ্রহণ করা আবশ্যক এবং কোনো পরিস্থিতিতে  স্যালাইন সেবন করতে পারা যাবে কিনা।

৫.বয়স্ক ব্যক্তি দের- বয়স্ক ব্যক্তিরা যাঁরা খুব কম খাদ্য গ্রহণ করেন বা নাকে নল দিয়ে বা তরল খাদ্য ছাড়া কিছু খেতে পারেন না, তাঁদের দৈনিক চাহিদা পূরণে তরল খাবারে নুন দিতে হবে।

৬.পরীক্ষা করানো- বারবার নুন কমলে কিডনি রোগ, কোনো ওষুধের প্রভাব, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ইত্যাদি আছে কি না জানতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।