সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ গানের মাধ্যমে, কমিশনে তৃণমূল

সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ গানের মাধ্যমে, কমিশনে তৃণমূল

গানের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠলো বাবুল-রুদ্রনীলেদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ নিয়েই নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে শাসক দল, এমনটাই জানালেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র সুখেন্দুশেখর রায়। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, " বাবুল সুপ্রিয় ও রুদ্রনীল ঘোষদের গানের মাধ্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।

যার মধ্যে দেখানো হয়েছে ওপারবাংলা বেশ কিছু ছবি। এছাড়াও ওই গানে দেখানো হয়েছে ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার কিছু পুরনো খবরের কাগজের ছবিও। প্রত্যেকটি বিষয় উল্লেখ করে কমিশনে যাব আমরা।'‌ তার পর এদিনই বিষয়টি কমিশনের নজরে আনে শাসক দল। গানে লেখা হয়েছে,  সিএএ থেকে সাঁইবাড়ি, মরিচঝাঁপির প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়েছে গানে। গানে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষও।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবুল সুপ্রিয় গানটি পোস্ট করার পরেই বিতর্ক ছড়ায়। তৃণমূলের দাবি, বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে রাজ্যের ভোট প্রচারের গান আইনত অপরাধ। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানান উচিত বলে মনে করছেন একাংশ।   উল্লেখ্য, সম্প্রতি 'সিটিজেনস ইউনাইটেড' ফেসবুক পেজের প্রকাশ করা হয়েছিল অনির্বাণ ভট্টাচার্যর লেখা "নিজেদের মতে, নিজেদের গান"-এর একটি ভিডিও।

যাতে "আমি অন্য কোথাও যাব না, আমি এই দেশেতেই থাকব" বার্তা দিয়েছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, ঋদ্ধি সেন, ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, পিয়া সেনগুপ্ত, চন্দন সেনের মতো টলি তারকারা। তারই পালটা হিসেবে বুধবার গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয় বাবুল সুপ্রিয় ও রুদ্রনীল ঘোষ অভিনীত একটি মিউজিক ভিডিও। এই গানে বলা হয়েছে, 'তুমি অন্য কোথাও যেও না তুমি এই দেশেতেই থাকো'।

এর পরই শুরু হয় বিতর্কের। এই বিষয়ে বাবুল সুপ্রিয় বলেন, "ভোটের মরশুমে প্রত্যেক রাজনৈতিক দল একে অপরের বিরুদ্ধে গান তৈরি করবে। এবং সাধারণ মানুষও ভিডিও তৈরি করবেন। তিনি কেবল একজন গায়ক হিসেবে গানটি গাইতে গিয়েছিলেন। বিজেপির ঝান্ডা নিয়ে যাননি। তাই এই বিষয়টিকে সেভাবেই দেখা উচিত বলে মনে করেন টালিগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়।